দলিল
দলিল কাহাকে বলে? উহা কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ জমি ক্রয় বিক্রয়ের সময় বিক্রেতা যে সরকারী স্টাম্পে জমি বিক্রয়ের সবীকারোক্তি মূলক লিখিত দিয়ে থাকেন তাকে দলিল বলে।
দলিল প্রধানত ১০ প্রকার।যথাঃ
১। ছাপ কবলা দলিল
২।দানপত্র দলিল
৩। হেবা নামা দলিল
৪।এওয়াজ বদল দলিল
৫।ওছিয়ত নামা দলিল
৬।ওয়াকফ দলিল
৭।বন্টন নামা দলিল
৮।আমমোক্তার নামা দলিল
৯। বাইনাপত্র দলিল
১০।ঘোষনা পত্র দলিল
বর্ণনাঃ
১। ছাপ কবলা দলিলঃ সরকারী মূল্যে নির্ধারিত করিয়া যে ভূমি বিক্রয় করা হয় তার দলিলকে ছাপ কবলা দলিল বলে।
ই দলিলে বিক্রেতার কোন দাবি থাকেনা।
২ নং থেকে ৬নং পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে
৭। বন্টন নামাঃ একাদিক মালিকীয় ভূমি থেকে প্রত্যেক মালিকগন তাহার ভূমি চিহ্নিত করিয়া
নেওয়ার দলিলকে বন্টন নামা দলিল বলে।এক্ষেত্রে জমির পরিমান কম-বেশি হইতে পারে।
৮।আমমোক্তার নামা দলিলঃ কোন ব্যক্তি শারিরীক অসুস্থ বা দেশের বাহিরে অবস্থান করিলে তাহার ভূমি বেচা বিক্রি, মামলা মোকাদ্দামা, রূপান্তর ইত্যাদি তাহার হইয়া সম্পাদন করিতে পারিবে এমন দলিলকে আমমোক্তার নামা দলিল বলে।
দলিলের অভ্যন্তরীন বর্ণনাঃ
দলিলের প্রথম ফর্দের (পৃষ্ঠা) সর্ব উপরে দলিলের ক্রমিক নম্বর ও অপর পাশে দলিলের নম্বর লিখা থাকে।এরপর গ্রহিতা / গ্রহিতাগনের নাম ঠিকানা ও দাতা / দাতাগনের লিখা থাকে। এর পর দলিলের বর্ণনা, তফসিল, চৌহদ্দী, কৈফিরত, শনাক্তকারী ও সবাক্ষীর নাম ঠিকানা লিখা থাকে।
এবং প্রত্যেক ফর্দে দাতার আড়াআড়ি স্বাক্ষর থাকে। সর্বশেষ ফর্দে ও এফিডোফিটের নিচে দাতা / দাতাগনের সমান্তরাল স্বাক্ষর থাকে।
বিঃদ্রঃ যে নম্বর বেশী সেটা দলিলের সিরিয়াল নম্বর আর যে নম্বর কম সেটা দলিলের নম্বর।
নিং ও বং
কোন দাতা স্বাক্ষর না জানিলে আঙ্গুলের টিপ দিবেন।ঐ টিপের নিচে অন্য কোন ব্যক্তি নিং লিখিয়া টিপ প্রদান কারীর নাম লিখিবে ও বং লিখিয়া নিজের নাম লিখিবে। যেমনঃ
নিং- আলতাফ
বং- আরিফ
দলিল প্রমানের নিয়ম ২ টি
১। আসল কপি
২। সহি মুহুরির তৈরী অবিকল নকল কপি
FOr more videos: Youtube Video
0 Comments